3:34 pm, Saturday, 31 October 2026

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর আগের দিন, অর্থাৎ ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) এই ইউনিটের পাওয়ার স্টার্টআপ বা বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির যাবতীয় পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশিকা মেনে রাশিয়ার কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ‘বি ওয়ান’ পর্যায়ের কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার মতো জটিল ধাপগুলো অতিক্রম করা হয়েছে।

বর্তমানে ‘বি টু’ পর্যায়ের অংশ হিসেবে পারমাণবিক চুল্লিকে প্রাথমিক পরিচালনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় চুল্লিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা ধারাবাহিক পরমাণু বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ উপায়ে শক্তি উৎপাদন শুরু হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়ে ধারাবাহিক পরমাণু বিভাজন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চুল্লির সক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন স্তর সফলভাবে অতিক্রম করে এর সক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হলে জাতীয় গ্রিডে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 02:07:38 am, Saturday, 31 October 2026

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

Update Time : 02:07:38 am, Saturday, 31 October 2026

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর আগের দিন, অর্থাৎ ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) এই ইউনিটের পাওয়ার স্টার্টআপ বা বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির যাবতীয় পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশিকা মেনে রাশিয়ার কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ‘বি ওয়ান’ পর্যায়ের কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার মতো জটিল ধাপগুলো অতিক্রম করা হয়েছে।

বর্তমানে ‘বি টু’ পর্যায়ের অংশ হিসেবে পারমাণবিক চুল্লিকে প্রাথমিক পরিচালনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় চুল্লিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা ধারাবাহিক পরমাণু বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ উপায়ে শক্তি উৎপাদন শুরু হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়ে ধারাবাহিক পরমাণু বিভাজন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চুল্লির সক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন স্তর সফলভাবে অতিক্রম করে এর সক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হলে জাতীয় গ্রিডে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে কর্তৃপক্ষের।