3:34 pm, Saturday, 31 October 2026

রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির পাশের হার ৪৫ শতাংশে নেমেছে

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ২০২০ সালের অটোপাশের পর এবারের ফলাফলই গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বিভাগের আট জেলার মোট ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, ছেলেদের পাশের হার ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং মেয়েদের ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। মোট ৪ হাজার ৫২০ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৫৫৫ জন মেয়ে এবং ১ হাজার ৯৬৫ জন ছেলে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অনিয়মের দায়ে ৩১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। আর ৩৯টি কলেজের কেউ পাশই করেনি।

এ বছর আট জেলার মধ্যে মাত্র ৯টি কলেজে শতভাগ পাশের রেকর্ড হয়েছে। অন্যদিকে, ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২০ সালে শতভাগ পাশের পর ২০২১ সালে ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছিল। ফলাফল সম্পর্কে অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, শিক্ষার্থীরা খাতায় যে রকম লিখেছে সে অনুযায়ীই নম্বর প্রদান করা হয়েছে; কাউকে বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়নি, যার প্রভাব এবারের সামগ্রিক ফলাফলে পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 07:15:18 am, Saturday, 31 October 2026

রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির পাশের হার ৪৫ শতাংশে নেমেছে

Update Time : 07:15:18 am, Saturday, 31 October 2026

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ২০২০ সালের অটোপাশের পর এবারের ফলাফলই গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বিভাগের আট জেলার মোট ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, ছেলেদের পাশের হার ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং মেয়েদের ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। মোট ৪ হাজার ৫২০ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৫৫৫ জন মেয়ে এবং ১ হাজার ৯৬৫ জন ছেলে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অনিয়মের দায়ে ৩১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। আর ৩৯টি কলেজের কেউ পাশই করেনি।

এ বছর আট জেলার মধ্যে মাত্র ৯টি কলেজে শতভাগ পাশের রেকর্ড হয়েছে। অন্যদিকে, ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২০ সালে শতভাগ পাশের পর ২০২১ সালে ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছিল। ফলাফল সম্পর্কে অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, শিক্ষার্থীরা খাতায় যে রকম লিখেছে সে অনুযায়ীই নম্বর প্রদান করা হয়েছে; কাউকে বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়নি, যার প্রভাব এবারের সামগ্রিক ফলাফলে পড়েছে।