3:34 pm, Saturday, 31 October 2026

জামায়াত ছাড়ার সিদ্ধান্তে এনসিপিকে সাধুবাদ রাশেদ খানের

জামায়াত থেকে বেরিয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তে এনসিপিকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই সাধুবাদ জানান। রাশেদ খান উল্লেখ করেন, এনসিপির ভেতরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও পিসফুল ডিভোর্সের মতো খুব দ্রুতই তারা জামায়াত জোট থেকে আলাদা হয়ে যাবে। এনসিপির সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ কর্মসূচি ও আসিফ মাহমুদের বক্তব্য থেকেই এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার সেই পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো- জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য এনসিপিকে সাধুবাদ জানাই।

দীর্ঘদিন পর এনসিপির এই কর্মসূচিতে হাজারো মানুষের উপস্থিতি দলটির স্বতন্ত্র রাজনীতির সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আশা জাগাচ্ছে। আগে জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ থাকার কারণে দলটির কর্মসূচিতে জনসমাগম বেশ কম ছিল। বর্তমানের এই গণবিক্ষোভ থেকে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের পক্ষে কাউকে তেমন কোনো জোরালো বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি।

রাশেদ খানের মতে, এনসিপি যদি নিয়মিতভাবে স্বতন্ত্র ধারায় রাজনীতির চর্চা করতে পারে, তবে আগামী এক বছরের মধ্যেই তারা একটি শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। রাজনীতির মাঠে থাকা আওয়ামী শূন্যতা পূরণেও দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। তাদের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের যে স্বপ্ন এনসিপি দেখেছে, তা সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জামায়াতের আশ্রয়ে থেকে এই লক্ষ্য অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন। কিন্তু জামায়াতের পকেটে থেকে তো আর প্রধান বিরোধীদল হওয়া যাবে না।

এনসিপির স্বাধীন রাজনীতির পথে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে তাদের আটজন সংসদ সদস্য। এরা আগামী নির্বাচনেও জামায়াতের ভোটের সমর্থন নিশ্চিত করতে জোটের রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে আছেন। যদিও এনসিপির অধিকাংশ নেতাকর্মীই এখন স্বতন্ত্র রাজনীতির পক্ষেই মত দিচ্ছেন। এখন দেখার বিষয়, এনসিপি তাদের প্রাথমিক এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে কি না, নাকি জামায়াতের পকেট সংগঠন হিসেবেই তারা নিজেদের পরিচিতি ধরে রাখে। শেষ পর্যন্ত এনসিপির স্বতন্ত্র যাত্রার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন রাশেদ খান। তবে এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির পথে বড় বাধা এনসিপির ৮ জন এমপি।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 02:31:58 am, Saturday, 31 October 2026

জামায়াত ছাড়ার সিদ্ধান্তে এনসিপিকে সাধুবাদ রাশেদ খানের

Update Time : 02:31:58 am, Saturday, 31 October 2026

জামায়াত থেকে বেরিয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তে এনসিপিকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই সাধুবাদ জানান। রাশেদ খান উল্লেখ করেন, এনসিপির ভেতরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও পিসফুল ডিভোর্সের মতো খুব দ্রুতই তারা জামায়াত জোট থেকে আলাদা হয়ে যাবে। এনসিপির সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ কর্মসূচি ও আসিফ মাহমুদের বক্তব্য থেকেই এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার সেই পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো- জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য এনসিপিকে সাধুবাদ জানাই।

দীর্ঘদিন পর এনসিপির এই কর্মসূচিতে হাজারো মানুষের উপস্থিতি দলটির স্বতন্ত্র রাজনীতির সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আশা জাগাচ্ছে। আগে জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ থাকার কারণে দলটির কর্মসূচিতে জনসমাগম বেশ কম ছিল। বর্তমানের এই গণবিক্ষোভ থেকে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের পক্ষে কাউকে তেমন কোনো জোরালো বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি।

রাশেদ খানের মতে, এনসিপি যদি নিয়মিতভাবে স্বতন্ত্র ধারায় রাজনীতির চর্চা করতে পারে, তবে আগামী এক বছরের মধ্যেই তারা একটি শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। রাজনীতির মাঠে থাকা আওয়ামী শূন্যতা পূরণেও দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। তাদের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের যে স্বপ্ন এনসিপি দেখেছে, তা সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জামায়াতের আশ্রয়ে থেকে এই লক্ষ্য অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন। কিন্তু জামায়াতের পকেটে থেকে তো আর প্রধান বিরোধীদল হওয়া যাবে না।

এনসিপির স্বাধীন রাজনীতির পথে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে তাদের আটজন সংসদ সদস্য। এরা আগামী নির্বাচনেও জামায়াতের ভোটের সমর্থন নিশ্চিত করতে জোটের রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে আছেন। যদিও এনসিপির অধিকাংশ নেতাকর্মীই এখন স্বতন্ত্র রাজনীতির পক্ষেই মত দিচ্ছেন। এখন দেখার বিষয়, এনসিপি তাদের প্রাথমিক এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে কি না, নাকি জামায়াতের পকেট সংগঠন হিসেবেই তারা নিজেদের পরিচিতি ধরে রাখে। শেষ পর্যন্ত এনসিপির স্বতন্ত্র যাত্রার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন রাশেদ খান। তবে এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির পথে বড় বাধা এনসিপির ৮ জন এমপি।