3:05 pm, Friday, 6 November 2026

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জয়ী রেকর্ড ৩৬ মুসলিম প্রার্থী

যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য সমাপ্ত মধ্যবর্তী নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থীদের অংশগ্রহণের হার যেমন বেড়েছে, তেমনি জয়ের সংখ্যাতেও রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কংগ্রেস, বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভা এবং স্থানীয় সরকার পর্যায়ে অন্তত ৩৬ জন মুসলিম প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এই জয় মার্কিন রাজনীতিতে মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান প্রতিনিধিত্বের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বিশেষ করে হিজাব পরিহিত নারীদের অভূতপূর্ব সাফল্য এই নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা দেশটিতে ইসলামবিদ্বেষী পরিস্থিতির মোকাবিলায় এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটিতে ইসলামবিদ্বেষ মোকাবিলায়ও ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনী ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের আটটি আসনে মুসলিম প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, যার মধ্যে একজন সিনেটর এবং সাতজন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য। এছাড়া বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভাগুলোতেও মুসলিম প্রার্থীদের জয়জয়কার দেখা গেছে। বিচার বিভাগীয় এবং কাউন্টি পর্যায়ের নির্বাচনেও দুইজন প্রার্থী জয় পেয়েছেন। রয়টার্স, আনাদোলু এজেন্সি এবং মুসলিম নেটওয়ার্ক টিভির তথ্যে উঠে এসেছে যে, স্থানীয় ও রাষ্ট্রীয় পর্যায় নির্বিশেষে এই বিজয় মুসলিম আমেরিকানদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পথ প্রশস্ত করছে। মিশিগানের আইনসভার বিভিন্ন আসনে আব্বাস আলাউইয়েহ, আলাবাস ফারহাত ও জালাল আবদুল্লাহ এগিয়ে ছিলেন।

মিশিগানে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে আব্দুল আল-সাইয়েদ সিনেটর নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েছেন। তিনি রিপাবলিকান দলের সাবেক কংগ্রেস সদস্য মাইক রজার্সকে পরাজিত করেন, যা মিশরের বংশোদ্ভূত এই রাজনীতিকের জন্য বড় মাইলফলক। প্রতিনিধি পরিষদে মিনেসোটার ইলহান ওমর, মিশিগানের রাশিদা তালাইব, ইন্ডিয়ানার আন্দ্রে কারসন ও ক্যালিফোর্নিয়ার লতিফা সাইমন তাদের নিজ নিজ আসন পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া নিউ জার্সির ১২তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টে জয়ী অ্যাডাম হামাউই ওই অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম কংগ্রেস সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা মিশিগানে আবদুল আল-সাইয়েদের সিনেটর নির্বাচিত হওয়া। অন্যদিকে, ইলিনয় প্রতিনিধি পরিষদে নিজের আসন ধরে রাখতে যাচ্ছেন আবদেলনাসের রশিদ।

অঙ্গরাজ্য পর্যায়েও মুসলিম প্রার্থীদের সাফল্য ছিল লক্ষণীয়। ইলিনয়ের সিনেটের ২৬তম ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকানদের দখল থেকে আসনটি ছিনিয়ে নিয়েছেন নাবিলা সৈয়দ, যেখানে তিনি পরাজিত করেছেন নিয়োগপ্রাপ্ত ডারবি হিলসকে। একই সাথে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আইশা ওয়াহিব, নিউ ইয়র্কের ১৩তম ডিস্ট্রিক্টে দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের এবং অঙ্গরাজ্য সিনেটের ১২তম ডিস্ট্রিক্টে আবের কাওয়াস জয় পেয়েছেন। ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ৪৮তম ডিস্ট্রিক্টে ওসমান সালাহউদ্দিন প্রায় ৬৯ শতাংশ ভোট পেয়ে নিজের এগিয়ে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফ্লোরিডার ১০৩তম হাউস ডিস্ট্রিক্টে ইমতিয়াজ মোহাম্মদ পরাজয় বরণ করেছেন। ওই সময় পর্যন্ত সেখানে অতিরিক্ত ব্যালট গণনা চলছিল।

এছাড়া মিনেসোটার হেনেপিন কাউন্টি কমিশনার নির্বাচনে শ্যারন এল-আমিন পিছিয়ে ছিলেন এবং কানেকটিকাটের চতুর্থ সিনেট ডিস্ট্রিক্টে এমডি রহমানের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া মিশিগান কোর্ট অব আপিলসের নির্বাচনে এগিয়ে রয়েছেন মারিয়াম সাদ বাজ্জি। তবে ওয়াশিংটন কাউন্টির চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে নাফিসা ফাই পাম ট্রিসের চেয়ে পিছিয়ে ছিলেন। তবে অঙ্গরাজ্যটির চতুর্থ সিনেট ডিস্ট্রিক্টে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে থাকা এমডি রহমানের ফল তখনো পাওয়া যায়নি।

তবে সামগ্রিকভাবে দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্যগুলোতেও সাফল্য পেয়েছেন মুসলিম প্রার্থীরা।

জর্জিয়ার রুয়া রোমান স্টেট সিনেটে জয়ী হয়েছেন, শেখ রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এবং ফারুক মুগল রিপাবলিকানদের হাত থেকে তার আসন পুনরুদ্ধার করেছেন। টেক্সাসের সালমান ভোজানি ও সুলেমান লালানি নিজ আসন ধরে রেখেছেন এবং লেটিশিয়া প্লামার হ্যারিস কাউন্টির বিচারক নির্বাচিত হয়েছেন, যা তাকে অঙ্গরাজ্যটিতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্বাচিত মুসলিম নারী জনপ্রতিনিধিতে পরিণত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেকর্ড সংখ্যক হিজাব পরিহিত নারী নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন অঙ্গরাজ্য সিনেটর এবং একজন কংগ্রেস সদস্য রয়েছেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও ভীতিপ্রদর্শন বেড়েছে। এমপ্যাকসহ বিভিন্ন সংস্থা এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, তরুণ মুসলিম নারীরা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরাসরি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজেদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার সুযোগ তৈরি করেছেন। ইলহান ওমর, আবের কাওয়াস, ইমান জোদেহ, রুয়া রোমান এবং নাবিলা সৈয়দ এই তালিকার অন্যতম মুখ।

কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ১৬০ জনেরও বেশি মুসলিম প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ২০২২ সালের নির্বাচনে এই সংখ্যা ছিল ১৪৫ জন। এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি কেবল প্রার্থীর সংখ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মার্কিন রাজনীতির মূলধারায় মুসলিম আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ ও প্রভাব বিস্তারের এক সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 03:04:24 am, Friday, 6 November 2026

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জয়ী রেকর্ড ৩৬ মুসলিম প্রার্থী

Update Time : 03:04:24 am, Friday, 6 November 2026

যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য সমাপ্ত মধ্যবর্তী নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থীদের অংশগ্রহণের হার যেমন বেড়েছে, তেমনি জয়ের সংখ্যাতেও রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কংগ্রেস, বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভা এবং স্থানীয় সরকার পর্যায়ে অন্তত ৩৬ জন মুসলিম প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এই জয় মার্কিন রাজনীতিতে মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান প্রতিনিধিত্বের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বিশেষ করে হিজাব পরিহিত নারীদের অভূতপূর্ব সাফল্য এই নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা দেশটিতে ইসলামবিদ্বেষী পরিস্থিতির মোকাবিলায় এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটিতে ইসলামবিদ্বেষ মোকাবিলায়ও ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনী ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের আটটি আসনে মুসলিম প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, যার মধ্যে একজন সিনেটর এবং সাতজন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য। এছাড়া বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভাগুলোতেও মুসলিম প্রার্থীদের জয়জয়কার দেখা গেছে। বিচার বিভাগীয় এবং কাউন্টি পর্যায়ের নির্বাচনেও দুইজন প্রার্থী জয় পেয়েছেন। রয়টার্স, আনাদোলু এজেন্সি এবং মুসলিম নেটওয়ার্ক টিভির তথ্যে উঠে এসেছে যে, স্থানীয় ও রাষ্ট্রীয় পর্যায় নির্বিশেষে এই বিজয় মুসলিম আমেরিকানদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পথ প্রশস্ত করছে। মিশিগানের আইনসভার বিভিন্ন আসনে আব্বাস আলাউইয়েহ, আলাবাস ফারহাত ও জালাল আবদুল্লাহ এগিয়ে ছিলেন।

মিশিগানে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে আব্দুল আল-সাইয়েদ সিনেটর নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েছেন। তিনি রিপাবলিকান দলের সাবেক কংগ্রেস সদস্য মাইক রজার্সকে পরাজিত করেন, যা মিশরের বংশোদ্ভূত এই রাজনীতিকের জন্য বড় মাইলফলক। প্রতিনিধি পরিষদে মিনেসোটার ইলহান ওমর, মিশিগানের রাশিদা তালাইব, ইন্ডিয়ানার আন্দ্রে কারসন ও ক্যালিফোর্নিয়ার লতিফা সাইমন তাদের নিজ নিজ আসন পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া নিউ জার্সির ১২তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টে জয়ী অ্যাডাম হামাউই ওই অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম কংগ্রেস সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা মিশিগানে আবদুল আল-সাইয়েদের সিনেটর নির্বাচিত হওয়া। অন্যদিকে, ইলিনয় প্রতিনিধি পরিষদে নিজের আসন ধরে রাখতে যাচ্ছেন আবদেলনাসের রশিদ।

অঙ্গরাজ্য পর্যায়েও মুসলিম প্রার্থীদের সাফল্য ছিল লক্ষণীয়। ইলিনয়ের সিনেটের ২৬তম ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকানদের দখল থেকে আসনটি ছিনিয়ে নিয়েছেন নাবিলা সৈয়দ, যেখানে তিনি পরাজিত করেছেন নিয়োগপ্রাপ্ত ডারবি হিলসকে। একই সাথে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আইশা ওয়াহিব, নিউ ইয়র্কের ১৩তম ডিস্ট্রিক্টে দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের এবং অঙ্গরাজ্য সিনেটের ১২তম ডিস্ট্রিক্টে আবের কাওয়াস জয় পেয়েছেন। ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ৪৮তম ডিস্ট্রিক্টে ওসমান সালাহউদ্দিন প্রায় ৬৯ শতাংশ ভোট পেয়ে নিজের এগিয়ে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফ্লোরিডার ১০৩তম হাউস ডিস্ট্রিক্টে ইমতিয়াজ মোহাম্মদ পরাজয় বরণ করেছেন। ওই সময় পর্যন্ত সেখানে অতিরিক্ত ব্যালট গণনা চলছিল।

এছাড়া মিনেসোটার হেনেপিন কাউন্টি কমিশনার নির্বাচনে শ্যারন এল-আমিন পিছিয়ে ছিলেন এবং কানেকটিকাটের চতুর্থ সিনেট ডিস্ট্রিক্টে এমডি রহমানের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া মিশিগান কোর্ট অব আপিলসের নির্বাচনে এগিয়ে রয়েছেন মারিয়াম সাদ বাজ্জি। তবে ওয়াশিংটন কাউন্টির চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে নাফিসা ফাই পাম ট্রিসের চেয়ে পিছিয়ে ছিলেন। তবে অঙ্গরাজ্যটির চতুর্থ সিনেট ডিস্ট্রিক্টে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে থাকা এমডি রহমানের ফল তখনো পাওয়া যায়নি।

তবে সামগ্রিকভাবে দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্যগুলোতেও সাফল্য পেয়েছেন মুসলিম প্রার্থীরা।

জর্জিয়ার রুয়া রোমান স্টেট সিনেটে জয়ী হয়েছেন, শেখ রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এবং ফারুক মুগল রিপাবলিকানদের হাত থেকে তার আসন পুনরুদ্ধার করেছেন। টেক্সাসের সালমান ভোজানি ও সুলেমান লালানি নিজ আসন ধরে রেখেছেন এবং লেটিশিয়া প্লামার হ্যারিস কাউন্টির বিচারক নির্বাচিত হয়েছেন, যা তাকে অঙ্গরাজ্যটিতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্বাচিত মুসলিম নারী জনপ্রতিনিধিতে পরিণত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেকর্ড সংখ্যক হিজাব পরিহিত নারী নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন অঙ্গরাজ্য সিনেটর এবং একজন কংগ্রেস সদস্য রয়েছেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও ভীতিপ্রদর্শন বেড়েছে। এমপ্যাকসহ বিভিন্ন সংস্থা এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, তরুণ মুসলিম নারীরা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরাসরি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজেদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার সুযোগ তৈরি করেছেন। ইলহান ওমর, আবের কাওয়াস, ইমান জোদেহ, রুয়া রোমান এবং নাবিলা সৈয়দ এই তালিকার অন্যতম মুখ।

কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ১৬০ জনেরও বেশি মুসলিম প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ২০২২ সালের নির্বাচনে এই সংখ্যা ছিল ১৪৫ জন। এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি কেবল প্রার্থীর সংখ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মার্কিন রাজনীতির মূলধারায় মুসলিম আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ ও প্রভাব বিস্তারের এক সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।