3:06 pm, Wednesday, 16 September 2026

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়নে নতুন কোডিং পদ্ধতি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কার্যকর করা হচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’। এ নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে পরীক্ষক খাতা দেখার সময় কোনোভাবেই শিক্ষার্থীর নাম, রোল বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর জানতে পারবেন না, যা পক্ষপাতের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ করবে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টার থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এই নতুন পদ্ধতির প্রক্রিয়াটি বেশ সুশৃঙ্খল। উত্তরপত্রের মলাটকে দুটি পৃথক অংশে বিভক্ত করা হবে, যার এক অংশে থাকবে পরীক্ষার্থীর নাম ও যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য, আর অন্য অংশে থাকবে একটি নির্দিষ্ট কোড নম্বর। পরীক্ষকের কাছে খাতা হস্তান্তরের আগে ব্যক্তিগত তথ্যের অংশটি আলাদা করে রাখা হবে এবং পরীক্ষক কেবল কোড নম্বরযুক্ত উত্তরপত্রটিই মূল্যায়নের জন্য পাবেন। খাতা দেখা শেষে এই কোডের বিপরীতে সংরক্ষিত তথ্যের সাথে নম্বর মিলিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) মো. আব্দুল আলিম এবং সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) মামুনুর রশীদ ছয়টি বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছে কোডিং পদ্ধতি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় সব উপকরণ হস্তান্তর করেন।

শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহ-উপাচার্য মামুনুর রশীদ। প্রাথমিকভাবে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগকে এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 11:17:35 am, Tuesday, 15 September 2026
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়নে নতুন কোডিং পদ্ধতি

Update Time : 11:17:35 am, Tuesday, 15 September 2026

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কার্যকর করা হচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’। এ নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে পরীক্ষক খাতা দেখার সময় কোনোভাবেই শিক্ষার্থীর নাম, রোল বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর জানতে পারবেন না, যা পক্ষপাতের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ করবে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টার থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এই নতুন পদ্ধতির প্রক্রিয়াটি বেশ সুশৃঙ্খল। উত্তরপত্রের মলাটকে দুটি পৃথক অংশে বিভক্ত করা হবে, যার এক অংশে থাকবে পরীক্ষার্থীর নাম ও যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য, আর অন্য অংশে থাকবে একটি নির্দিষ্ট কোড নম্বর। পরীক্ষকের কাছে খাতা হস্তান্তরের আগে ব্যক্তিগত তথ্যের অংশটি আলাদা করে রাখা হবে এবং পরীক্ষক কেবল কোড নম্বরযুক্ত উত্তরপত্রটিই মূল্যায়নের জন্য পাবেন। খাতা দেখা শেষে এই কোডের বিপরীতে সংরক্ষিত তথ্যের সাথে নম্বর মিলিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) মো. আব্দুল আলিম এবং সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) মামুনুর রশীদ ছয়টি বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছে কোডিং পদ্ধতি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় সব উপকরণ হস্তান্তর করেন।

শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহ-উপাচার্য মামুনুর রশীদ। প্রাথমিকভাবে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগকে এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের।