জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করলো রিহ্যাব
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত রিহ্যাব সচিবালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল। এছাড়াও সভায় সংগঠনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মোঃ বরকতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মোঃ হারুন অর রশিদ এবং পরিচালক গোলাম কিবরিয়া মজুমদার, প্রকৌশলী মোঃ মোস্তফা কামাল, মোঃ খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, শেখ কামাল, এম ফখরুল ইসলাম ও এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর কারওয়ান বাজার রিহ্যাব সচিবালয়ের এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে ড. আলী আফজাল বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক শিক্ষা হলো গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। এই দিবসটি আমাদের জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে বিভেদ ভুলে জাতীয় ঐক্যের চেতনা ধারণ করা এখন সময়ের দাবি।
সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রাজ্জাক বলেন, যেকোনো সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য ও সংহতির কোনো বিকল্প নেই। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব আরও জোরদার করতে হবে। ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মোঃ বরকাতুল্লাহর মতে, ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে অনুপ্রাণিত করে। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মোঃ হারুন অর রশিদ দুটি ঐতিহাসিক ঘটনার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একইভাবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। দুটি ঘটনার প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয় ক্ষেত্রেই জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব সমান। দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন বজায় রাখতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি। সবশেষে বক্তারা জাতীয় স্বার্থে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
























