4:23 pm, Sunday, 8 November 2026

ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে আগুন

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি এলাকায় শনিবার সন্ধ্যায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হলেও এসব এলাকায় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। তবে আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো সম্পর্ক নেই। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হরমুজ প্রণালির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি এলাকায় এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এদিকে রোববার ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় মাইনের আঘাতে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। বাহিনীটির অভিযোগ, জাহাজ দুটি ‘অনুমোদনহীন’ পথে চলাচলের চেষ্টা করছিল। তবে দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় শোনা বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে তেলবাহী জাহাজে আগুন লাগার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, এসব বিস্ফোরণের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক তৎপরতার যোগসূত্র থাকতে পারে। এর আগে কয়েক দিন দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সীমিত পরিসরের হামলার ঘটনা ঘটেছিল। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, ওই হামলাটি ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং এর মাধ্যমে বড় কোনো সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর পরিকল্পনা নেই। পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ চলছে। এর মাধ্যমে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 05:13:56 am, Sunday, 8 November 2026

ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে আগুন

Update Time : 05:13:56 am, Sunday, 8 November 2026

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি এলাকায় শনিবার সন্ধ্যায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হলেও এসব এলাকায় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। তবে আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো সম্পর্ক নেই। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হরমুজ প্রণালির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি এলাকায় এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এদিকে রোববার ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় মাইনের আঘাতে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। বাহিনীটির অভিযোগ, জাহাজ দুটি ‘অনুমোদনহীন’ পথে চলাচলের চেষ্টা করছিল। তবে দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় শোনা বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে তেলবাহী জাহাজে আগুন লাগার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, এসব বিস্ফোরণের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক তৎপরতার যোগসূত্র থাকতে পারে। এর আগে কয়েক দিন দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সীমিত পরিসরের হামলার ঘটনা ঘটেছিল। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, ওই হামলাটি ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং এর মাধ্যমে বড় কোনো সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর পরিকল্পনা নেই। পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ চলছে। এর মাধ্যমে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।