4:22 pm, Sunday, 8 November 2026

কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরক ড্রোন হামলায় নিহত ৩ সেনা

কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় বলিভার প্রদেশের সান্তা রোসা পৌরসভার একটি সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন দিয়ে নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় তিন সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও আটজন। সেনাবাহিনীর ফার্স্ট ডিভিশন নিশ্চিত করেছে যে, সরাসরি সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করেই ড্রোনের মাধ্যমে এই আক্রমণটি পরিচালিত হয়।

আহত সেনাসদস্যদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট বিভাগ ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব নিরূপণে কাজ শুরু করেছে। ফার্স্ট ডিভিশন এই হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে কাজ শুরু করেন সেনাসদস্যরা। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের জীবন রক্ষার্থে সেনাবাহিনী দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে। যে কোনো ধরনের সহিংসতা বা হামলার পরিকল্পনা প্রতিরোধে নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য বা গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার জন্য দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী হটলাইনে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে, বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জীবন হুমকির মুখে ফেলতে পারে—এমন সহিংস ঘটনা প্রতিরোধে আগাম তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 04:23:14 am, Sunday, 8 November 2026

কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরক ড্রোন হামলায় নিহত ৩ সেনা

Update Time : 04:23:14 am, Sunday, 8 November 2026

কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় বলিভার প্রদেশের সান্তা রোসা পৌরসভার একটি সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন দিয়ে নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় তিন সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও আটজন। সেনাবাহিনীর ফার্স্ট ডিভিশন নিশ্চিত করেছে যে, সরাসরি সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করেই ড্রোনের মাধ্যমে এই আক্রমণটি পরিচালিত হয়।

আহত সেনাসদস্যদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট বিভাগ ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব নিরূপণে কাজ শুরু করেছে। ফার্স্ট ডিভিশন এই হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে কাজ শুরু করেন সেনাসদস্যরা। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের জীবন রক্ষার্থে সেনাবাহিনী দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে। যে কোনো ধরনের সহিংসতা বা হামলার পরিকল্পনা প্রতিরোধে নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য বা গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার জন্য দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী হটলাইনে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে, বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জীবন হুমকির মুখে ফেলতে পারে—এমন সহিংস ঘটনা প্রতিরোধে আগাম তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সেনাবাহিনী।