10:24 pm, Sunday, 8 November 2026

ইরানে হামলা না চালালে ইসরাইল মুছে যেত: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দিলে ইসরাইলের অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে পড়ত বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় ইরানের বিরুদ্ধে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পক্ষেও জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করেন ট্রাম্প। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের দাবি, সামরিক অভিযানের মাধ্যমেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা সম্ভব হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদি তিনি ইরানকে সেই সুযোগ দিতেন, তবে আজ ইসরাইলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। তার ভাষ্যমতে, এমন পরিস্থিতিতে ইসরাইল পৃথিবীর মানচিত্র থেকেই মুছে যেত।

চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই ইরান নিয়ে ট্রাম্পের এমন কঠোর অবস্থান বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও বৃহস্পতিবার তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজন হলে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক হামলার পথ বেছে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। তবে একই সঙ্গে সংকট নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাগুলোও অব্যাহত রেখেছেন তিনি। তার এ বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 01:43:44 am, Saturday, 7 November 2026

ইরানে হামলা না চালালে ইসরাইল মুছে যেত: ডোনাল্ড ট্রাম্প

Update Time : 01:43:44 am, Saturday, 7 November 2026

ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দিলে ইসরাইলের অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে পড়ত বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় ইরানের বিরুদ্ধে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পক্ষেও জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করেন ট্রাম্প। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের দাবি, সামরিক অভিযানের মাধ্যমেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা সম্ভব হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদি তিনি ইরানকে সেই সুযোগ দিতেন, তবে আজ ইসরাইলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। তার ভাষ্যমতে, এমন পরিস্থিতিতে ইসরাইল পৃথিবীর মানচিত্র থেকেই মুছে যেত।

চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই ইরান নিয়ে ট্রাম্পের এমন কঠোর অবস্থান বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও বৃহস্পতিবার তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজন হলে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক হামলার পথ বেছে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। তবে একই সঙ্গে সংকট নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাগুলোও অব্যাহত রেখেছেন তিনি। তার এ বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।