11:08 am, Wednesday, 4 November 2026

ঠাকুরগাঁওয়ে অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁওয়ে স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় মো. পারভেজ ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে আটক করে। মঙ্গলবার তাকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ তাঁকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর পারভেজ ইসলামের সঙ্গে বাদীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে দাম্পত্য কলহ শুরু হলে নির্যাতন ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে প্রায় নয় মাস আগে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। এ সময় পারভেজ স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এতে রাজি না হওয়ায় তিনি স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছিলেন।

বাদীর অভিযোগ, বিয়ের পর তিনি স্ত্রীর অজান্তে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখেন। পরে সেসব ছবি নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হাফিজউদ্দীনের কাছে পাঠান। এরপর পারভেজ ও হাফিজউদ্দীন মিলে ওই নারীর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। এমনকি হাফিজউদ্দীনকে বিয়ে করার জন্যও ওই নারীকে নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল বলে এজাহারে জানানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী জানিয়েছেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর অধীনে এ মামলাটি করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি হাফিজউদ্দীন বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পারভেজকে গ্রেপ্তার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 01:43:26 am, Wednesday, 4 November 2026

ঠাকুরগাঁওয়ে অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

Update Time : 01:43:26 am, Wednesday, 4 November 2026

ঠাকুরগাঁওয়ে স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় মো. পারভেজ ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে আটক করে। মঙ্গলবার তাকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ তাঁকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর পারভেজ ইসলামের সঙ্গে বাদীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে দাম্পত্য কলহ শুরু হলে নির্যাতন ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে প্রায় নয় মাস আগে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। এ সময় পারভেজ স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এতে রাজি না হওয়ায় তিনি স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছিলেন।

বাদীর অভিযোগ, বিয়ের পর তিনি স্ত্রীর অজান্তে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখেন। পরে সেসব ছবি নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হাফিজউদ্দীনের কাছে পাঠান। এরপর পারভেজ ও হাফিজউদ্দীন মিলে ওই নারীর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। এমনকি হাফিজউদ্দীনকে বিয়ে করার জন্যও ওই নারীকে নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল বলে এজাহারে জানানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী জানিয়েছেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর অধীনে এ মামলাটি করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি হাফিজউদ্দীন বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পারভেজকে গ্রেপ্তার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।