6:32 pm, Tuesday, 3 November 2026

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জরিপে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার আভাস

যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত মধ্যবর্তী নির্বাচন। দেশটির আইনসভার নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবকটিতেই আজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন ভোটাররা। একই সঙ্গে উচ্চকক্ষ সিনেটের ৩৫টি আসনে নতুন প্রতিনিধি নির্বাচন এবং ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। গত সোমবার পর্যন্ত এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণার শেষ মুহূর্তের উত্তাপ ছিল তুঙ্গে। নির্বাচনে মার্কিন আইনসভা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ আসনেই ভোট হচ্ছে। এছাড়া উচ্চকক্ষ সিনেটের ৩৫ আসনে নির্বাচিত হবেন নতুন সদস্য। একই সঙ্গে ৩৬ রাজ্যে গভর্নর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইনোহোসা যদি নির্বাচিত হন, তবে তিনি হবেন রাজ্যের প্রথম হিস্পানিক নারী গভর্নর।

বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটদের প্রতি জনসমর্থন ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গত ২৩ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ জরিপে অংশ নেওয়া ৫ হাজার ৭০৮ জন ভোটারের মতামতে এই চিত্র ফুটে উঠেছে। জরিপটি আলাস্কা, আইওয়া, ক্যানসাস, মেইন, ওহাইও, মিশিগান ও টেক্সাসের ভোটারদের ওপর পরিচালিত হয়।

সিনেট নির্বাচনের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারীদের ৫০ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন জানিয়েছেন, যেখানে রিপাবলিকানদের পক্ষে রয়েছে ৪৭ শতাংশ সমর্থন। টেক্সাস ও ক্যানসাসের মতো অঞ্চলগুলোতেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে জরিপটি দাবি করছে। টেক্সাসে ১৯৮৮ সালের পর কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জয়লাভ করতে পারেননি, তবে এবারের জরিপ বলছে জেমস ট্যালারিকো রিপাবলিকান কেন প্যাক্সটনের চেয়ে সাত পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার সর্বশেষ দিন প্রচার চালিয়েছে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান ও বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টি। অন্যদিকে ৪৪ শতাংশ ভোটার রিপাবলিকানদের প্রতি সমর্থন জানান। তবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এ লড়াই কঠিন হয়ে পড়েছিল, কেননা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় সব আসনই রিপাবলিকান ঘাঁটি থেকেই জিততে হবে। অন্যদিকে প্যাক্সিটনকে সমর্থন দিয়েছেন ৪৩ শতাংশ ভোটার। অন্যদিকে ১৯৩২ সালের পর ক্যানসাসে জয় পাননি কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী। সেখানেও ডেমোক্রেটিক দলের অ্যাডাম হ্যামিল্টন ৯ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন। তার প্রতি সমর্থন রয়েছে ৪৯ শতাংশ ভোটারের। এছাড়া মিশিগানে ৫২ বনাম ৩৯ শতাংশ, মেইনে ৪৯ বনাম ৩৭ শতাংশ, আইওয়ায় ৫১ বনাম ৪৩ শতাংশ, আলাস্কায় ৫৪ বনাম ৪৬ শতাংশ, ওহাইওতে ৪৯ বনাম ৪৩ শতাংশ সমর্থন নিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

বর্তমানে ১০০ আসনের সিনেটে রিপাবলিকানদের ৫৩টি ও ডেমোক্র্যাটদের ৪৭টি আসন রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ডেমোক্র্যাটদের অতিরিক্ত চারটি আসনে জয় প্রয়োজন। বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পাঁচটি আসনে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকা এই লড়াইকে নাটকীয় করে তুলেছে। আইওয়ার আসনটিতে উভয় দলের প্রার্থী বর্তমানে সমানে সমান অবস্থানে রয়েছেন।

গভর্নর নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

আলাস্কা, আইওয়া, মেইন, মিশিগান ও ওহাইওতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। মিশিগানের গভর্নর পদের জন্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুর রহমান আল-সাইয়েদ ৫৩ শতাংশ সমর্থন নিয়ে ১২ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন, যেখানে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স পেয়েছেন ৪২ শতাংশ ভোট। এছাড়া টেক্সাসে গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট ৪৮ শতাংশ সমর্থন পাওয়া জিনা ইনোহোসার চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে আছেন।

তবে জনমত জরিপের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অতীতে জরিপের পূর্বাভাসের সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের বড় ধরনের অমিল থাকার নজির রয়েছে। ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে জরিপগুলো সঠিক ইঙ্গিত দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। একইভাবে ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের জয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেলেও, ট্রাম্প শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ক্ষোভের জেরে চিরায়ত সমর্থনের এমন বাঁকবদল হয়েছে। কিন্তু জরিপের ফল ভুল প্রমাণ করে হোয়াইট হাউসে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ট্রাম্প প্রচণ্ড লড়াই করে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান।

এ প্রসঙ্গে ইপসোসের প্রেসিডেন্ট ক্লিফোর্ড ইয়াং জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন ভোটারদের কাছে পৌঁছানো এবং সঠিক তথ্য পাওয়া চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, অনেক রক্ষণশীল ভোটারই জরিপ এড়িয়ে চলতে চান বা ফোনকল রিসিভ করেন না। তারা পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাকেই এক ধরনের বিরক্তি থেকে দূরে থাকতে চান।

জরিপ সংস্থাগুলোর জন্য রিপাবলিকান সমর্থকদের এই অনাগ্রহ বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। অনেক ক্ষেত্রে রিপাবলিকানরা জরিপে অংশ না নেওয়ায় তথ্যে কেবল ডেমোক্র্যাটদের দৃষ্টিভঙ্গিই প্রতিফলিত হয়। ফলে অনেক সময় জরিপের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হয়। আজকের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটাবে। যদি এভাবে রিপাবলিকান সমর্থকরা গণনায় বাদ পরে যান, সেখানে জরিপে শুধু ডেমোক্র্যাটদের তথ্যই প্রদর্শিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 02:43:23 am, Tuesday, 3 November 2026

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জরিপে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার আভাস

Update Time : 02:43:23 am, Tuesday, 3 November 2026

যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত মধ্যবর্তী নির্বাচন। দেশটির আইনসভার নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবকটিতেই আজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন ভোটাররা। একই সঙ্গে উচ্চকক্ষ সিনেটের ৩৫টি আসনে নতুন প্রতিনিধি নির্বাচন এবং ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। গত সোমবার পর্যন্ত এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণার শেষ মুহূর্তের উত্তাপ ছিল তুঙ্গে। নির্বাচনে মার্কিন আইনসভা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ আসনেই ভোট হচ্ছে। এছাড়া উচ্চকক্ষ সিনেটের ৩৫ আসনে নির্বাচিত হবেন নতুন সদস্য। একই সঙ্গে ৩৬ রাজ্যে গভর্নর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইনোহোসা যদি নির্বাচিত হন, তবে তিনি হবেন রাজ্যের প্রথম হিস্পানিক নারী গভর্নর।

বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটদের প্রতি জনসমর্থন ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গত ২৩ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ জরিপে অংশ নেওয়া ৫ হাজার ৭০৮ জন ভোটারের মতামতে এই চিত্র ফুটে উঠেছে। জরিপটি আলাস্কা, আইওয়া, ক্যানসাস, মেইন, ওহাইও, মিশিগান ও টেক্সাসের ভোটারদের ওপর পরিচালিত হয়।

সিনেট নির্বাচনের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারীদের ৫০ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন জানিয়েছেন, যেখানে রিপাবলিকানদের পক্ষে রয়েছে ৪৭ শতাংশ সমর্থন। টেক্সাস ও ক্যানসাসের মতো অঞ্চলগুলোতেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে জরিপটি দাবি করছে। টেক্সাসে ১৯৮৮ সালের পর কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জয়লাভ করতে পারেননি, তবে এবারের জরিপ বলছে জেমস ট্যালারিকো রিপাবলিকান কেন প্যাক্সটনের চেয়ে সাত পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার সর্বশেষ দিন প্রচার চালিয়েছে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান ও বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টি। অন্যদিকে ৪৪ শতাংশ ভোটার রিপাবলিকানদের প্রতি সমর্থন জানান। তবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এ লড়াই কঠিন হয়ে পড়েছিল, কেননা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় সব আসনই রিপাবলিকান ঘাঁটি থেকেই জিততে হবে। অন্যদিকে প্যাক্সিটনকে সমর্থন দিয়েছেন ৪৩ শতাংশ ভোটার। অন্যদিকে ১৯৩২ সালের পর ক্যানসাসে জয় পাননি কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী। সেখানেও ডেমোক্রেটিক দলের অ্যাডাম হ্যামিল্টন ৯ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন। তার প্রতি সমর্থন রয়েছে ৪৯ শতাংশ ভোটারের। এছাড়া মিশিগানে ৫২ বনাম ৩৯ শতাংশ, মেইনে ৪৯ বনাম ৩৭ শতাংশ, আইওয়ায় ৫১ বনাম ৪৩ শতাংশ, আলাস্কায় ৫৪ বনাম ৪৬ শতাংশ, ওহাইওতে ৪৯ বনাম ৪৩ শতাংশ সমর্থন নিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

বর্তমানে ১০০ আসনের সিনেটে রিপাবলিকানদের ৫৩টি ও ডেমোক্র্যাটদের ৪৭টি আসন রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ডেমোক্র্যাটদের অতিরিক্ত চারটি আসনে জয় প্রয়োজন। বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পাঁচটি আসনে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকা এই লড়াইকে নাটকীয় করে তুলেছে। আইওয়ার আসনটিতে উভয় দলের প্রার্থী বর্তমানে সমানে সমান অবস্থানে রয়েছেন।

গভর্নর নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

আলাস্কা, আইওয়া, মেইন, মিশিগান ও ওহাইওতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। মিশিগানের গভর্নর পদের জন্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুর রহমান আল-সাইয়েদ ৫৩ শতাংশ সমর্থন নিয়ে ১২ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন, যেখানে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স পেয়েছেন ৪২ শতাংশ ভোট। এছাড়া টেক্সাসে গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট ৪৮ শতাংশ সমর্থন পাওয়া জিনা ইনোহোসার চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে আছেন।

তবে জনমত জরিপের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অতীতে জরিপের পূর্বাভাসের সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের বড় ধরনের অমিল থাকার নজির রয়েছে। ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে জরিপগুলো সঠিক ইঙ্গিত দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। একইভাবে ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের জয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেলেও, ট্রাম্প শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ক্ষোভের জেরে চিরায়ত সমর্থনের এমন বাঁকবদল হয়েছে। কিন্তু জরিপের ফল ভুল প্রমাণ করে হোয়াইট হাউসে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ট্রাম্প প্রচণ্ড লড়াই করে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান।

এ প্রসঙ্গে ইপসোসের প্রেসিডেন্ট ক্লিফোর্ড ইয়াং জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন ভোটারদের কাছে পৌঁছানো এবং সঠিক তথ্য পাওয়া চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, অনেক রক্ষণশীল ভোটারই জরিপ এড়িয়ে চলতে চান বা ফোনকল রিসিভ করেন না। তারা পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাকেই এক ধরনের বিরক্তি থেকে দূরে থাকতে চান।

জরিপ সংস্থাগুলোর জন্য রিপাবলিকান সমর্থকদের এই অনাগ্রহ বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। অনেক ক্ষেত্রে রিপাবলিকানরা জরিপে অংশ না নেওয়ায় তথ্যে কেবল ডেমোক্র্যাটদের দৃষ্টিভঙ্গিই প্রতিফলিত হয়। ফলে অনেক সময় জরিপের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হয়। আজকের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটাবে। যদি এভাবে রিপাবলিকান সমর্থকরা গণনায় বাদ পরে যান, সেখানে জরিপে শুধু ডেমোক্র্যাটদের তথ্যই প্রদর্শিত হয়।