4:36 pm, Saturday, 7 November 2026

ইয়েমেনে বাজারে হামলায় নিহত অন্তত ৩০

ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়া শহরের একটি বাজারে শুক্রবার বড় ধরনের হামলায় অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মরদেহ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং সেখানে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন তাইজ প্রদেশের একটি বাজারে ‘বেশ কয়েকটি হামলা’ চালানো হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মরদেহ উদ্ধারে উদ্ধারকারী দল কাজ করছে।’।

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথির দাবি, সৌদি আরবের যুদ্ধবিমান থেকে ওই বাজারে একের পর এক হামলা চালানো হয়েছে। হুথির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি জানান, হামলাটি চালিয়েছে সৌদি আরব। হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারির ভাষ্যমতে, সৌদি আরবের খামিস মুশাইত সামরিক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করা একটি বিমান এই হামলাটি নিশ্চিত করেছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে ওই অঞ্চলে গোষ্ঠীটির সামরিক অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ চলছে।

তবে সরকারি বাহিনীর পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর দাবি, বাজারটিতে হুথিরা নিজেরাই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। তাইজের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় হুথি গোষ্ঠীকে দায়ী করে একে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সরকারি কর্তৃপক্ষের জোরালো দাবি, ওই এলাকায় কোনো বিমান হামলার ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলেও নিন্দা জানিয়েছে তারা।

মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে দীর্ঘ সময় তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ বজায় থাকলেও গত জুলাই মাস থেকে সংঘাত নতুন করে দানা বেঁধেছে। একদিকে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী এবং অন্যদিকে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে চলমান এই অস্থিরতা ইয়েমেনকে আবারও সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। দুই পক্ষের বিপরীতমুখী দাবির কারণে হামলার প্রকৃত দায় নিয়ে রহস্য বাড়ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নতুন করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ইয়েমেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 05:13:14 am, Saturday, 7 November 2026

ইয়েমেনে বাজারে হামলায় নিহত অন্তত ৩০

Update Time : 05:13:14 am, Saturday, 7 November 2026

ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়া শহরের একটি বাজারে শুক্রবার বড় ধরনের হামলায় অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মরদেহ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং সেখানে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন তাইজ প্রদেশের একটি বাজারে ‘বেশ কয়েকটি হামলা’ চালানো হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মরদেহ উদ্ধারে উদ্ধারকারী দল কাজ করছে।’।

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথির দাবি, সৌদি আরবের যুদ্ধবিমান থেকে ওই বাজারে একের পর এক হামলা চালানো হয়েছে। হুথির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি জানান, হামলাটি চালিয়েছে সৌদি আরব। হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারির ভাষ্যমতে, সৌদি আরবের খামিস মুশাইত সামরিক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করা একটি বিমান এই হামলাটি নিশ্চিত করেছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে ওই অঞ্চলে গোষ্ঠীটির সামরিক অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ চলছে।

তবে সরকারি বাহিনীর পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর দাবি, বাজারটিতে হুথিরা নিজেরাই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। তাইজের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় হুথি গোষ্ঠীকে দায়ী করে একে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সরকারি কর্তৃপক্ষের জোরালো দাবি, ওই এলাকায় কোনো বিমান হামলার ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলেও নিন্দা জানিয়েছে তারা।

মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে দীর্ঘ সময় তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ বজায় থাকলেও গত জুলাই মাস থেকে সংঘাত নতুন করে দানা বেঁধেছে। একদিকে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী এবং অন্যদিকে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে চলমান এই অস্থিরতা ইয়েমেনকে আবারও সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। দুই পক্ষের বিপরীতমুখী দাবির কারণে হামলার প্রকৃত দায় নিয়ে রহস্য বাড়ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নতুন করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ইয়েমেন।