3:21 pm, Monday, 2 November 2026

সমাবর্তন ফি নিয়ে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভ ও পুনর্বিবেচনার দাবি

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন ২০২৭-এ অংশগ্রহণের জন্য স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মোট ৬ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই ফির মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার টাকা নিবন্ধন ফি এবং ২ হাজার টাকা স্নাতক (সম্মান) সনদ ফি। অতিরিক্ত এই ফির কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, সদ্য স্নাতক পাস করা অধিকাংশ শিক্ষার্থীর আয় নেই, তাই এত বড় অঙ্কের ফি প্রদান করা তাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখান থেকে মুনাফা অর্জন করা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে কাম্য নয়। ”। শিক্ষার্থীদের দাবি, সমাবর্তন তাদের শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন উদ্‌যাপনের উপলক্ষ। তাই ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সদ্য স্নাতক হওয়া, চাকরিতে যোগ না দেওয়া এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সামর্থ্য বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কেবল স্নাতকই নয়, মাস্টার্সের সনদ ফি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং পিএইচডির সনদ ফি ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সমাবর্তনে সশরীরে অংশগ্রহণকারীদের জন্য একাডেমিক গাউন বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বলা হলেও, আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রবেশ ও দুপুরের খাবারের জন্য জনপ্রতি অতিরিক্ত ৩০০ টাকা করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ দুইজন অতিথি নিয়ে আসতে পারবেন। তাদের কথা চিন্তা করে প্রশাসনের উচিত চাদার পরিমাণ কমিয়ে ফেলা। ”।

শিক্ষার্থী সায়নুর হৃদয় বিষয়টিকে যৌক্তিক মনে করছেন না।

তিনি বলেন, “সদ্য পাস করা শিক্ষার্থীরা এখনো কর্মজীবনে প্রবেশ করেনি, তাদের জন্য এই অর্থ জোগাড় করা অত্যন্ত চাপের।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত মুনাফার দিকে না তাকিয়ে নামমাত্র মূল্যে সমাবর্তনের আয়োজন করা। অপর শিক্ষার্থী আনাস বিন সুলায়মান সমাবর্তনকে কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একটি মিলনমেলা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন এই বিশেষ দিন থেকে বঞ্চিত না হয়। ওয়াশিউল হাসানও একই সুর মিলিয়ে বলেন, গ্র্যাজুয়েটদের পক্ষে ৬ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা দেওয়া প্রায় অসম্ভব, তাই ফি কমানো জরুরি। আরেক শিক্ষার্থী ওয়াশিউল হাসান বলেন, “সমাবর্তনে ৬৫০০ টাকা চাঁদা দেওয়া নতুন গ্রাজুয়েটদের জন্য অনেকাংশেই অসম্ভব।

দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, শেকৃবির এই ফি অনেক বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রতি ডিগ্রির ফি ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তনেও একক ডিগ্রির জন্য সমান ফি রাখা হয়েছিল। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম সমাবর্তনে স্নাতক পর্যায়ের নিবন্ধন ফি ছিল মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনের ফি নিয়েও শিক্ষার্থীদের আপত্তির মুখে তা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল, যেখানে সংশোধিত স্নাতক ফি দাঁড়িয়েছিল ৪ হাজার টাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৩তম সমাবর্তন ২০২২ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের প্রতিটি ডিগ্রির জন্য আলাদাভাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং দুটি ডিগ্রির জন্য একসঙ্গে ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। উইকেন্ড ও ইভিনিং প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য ফি ছিল ৮ হাজার টাকা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ষষ্ঠ সমাবর্তন ২০২৩ এ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের প্রতিটি ডিগ্রির জন্য আলাদাভাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং দুটি ডিগ্রির জন্য একসঙ্গে ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তনের ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের আপত্তির পর ২৮ অক্টোবর নিবন্ধন ফি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে নিবন্ধন ফি ছিল ৩ হাজার টাকা, তবে পিএইচডি বা উচ্চতর ডিগ্রির জন্য তা ৫ হাজার টাকায় উন্নীত ছিল। তুলনায় শেকৃবির ৬ হাজার টাকার ফি অনেক শিক্ষার্থীকেই হতাশ করেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যেখানে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলক কম খরচে সমাবর্তন সম্পন্ন হয়, সেখানে শেকৃবির এই ব্যয়ভার অনেকটা অস্বাভাবিক ও অমানবিক। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পঞ্চম সমাবর্তন ২০২৫ এ স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও অন্যান্য ডিগ্রির জন্য নিবন্ধন ফি ছিল ৩ হাজার টাকা। পিএইচডি, এমফিল, এমডি, এমএস ও সংশ্লিষ্ট ডিগ্রির জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার টাকা।

শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ। তিনি স্বীকার করেছেন যে, সমাবর্তন ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে এবং দুটি ছাত্র সংগঠন তাকে স্মারকলিপি দিয়ে ফি কমানোর অনুরোধ জানিয়েছে। উপাচার্য বলেন, “আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি পর্যালোচনা করেই এই ফি নির্ধারণ করেছিলাম। তবে শিক্ষার্থীদের আবেগ ও দাবির প্রেক্ষিতে ফি কমানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার চেষ্টা করব, যদিও সমাবর্তন আয়োজনের বর্তমান পরিস্থিতিতে তা বেশ কঠিন।” এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, “আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি এর ব্যপারে জেনেছি এবং সে অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করেছি, এর পরেও ৪ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষ।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 07:21:39 am, Monday, 2 November 2026

সমাবর্তন ফি নিয়ে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভ ও পুনর্বিবেচনার দাবি

Update Time : 07:21:39 am, Monday, 2 November 2026

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন ২০২৭-এ অংশগ্রহণের জন্য স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মোট ৬ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই ফির মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার টাকা নিবন্ধন ফি এবং ২ হাজার টাকা স্নাতক (সম্মান) সনদ ফি। অতিরিক্ত এই ফির কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, সদ্য স্নাতক পাস করা অধিকাংশ শিক্ষার্থীর আয় নেই, তাই এত বড় অঙ্কের ফি প্রদান করা তাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখান থেকে মুনাফা অর্জন করা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে কাম্য নয়। ”। শিক্ষার্থীদের দাবি, সমাবর্তন তাদের শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন উদ্‌যাপনের উপলক্ষ। তাই ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সদ্য স্নাতক হওয়া, চাকরিতে যোগ না দেওয়া এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সামর্থ্য বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কেবল স্নাতকই নয়, মাস্টার্সের সনদ ফি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং পিএইচডির সনদ ফি ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সমাবর্তনে সশরীরে অংশগ্রহণকারীদের জন্য একাডেমিক গাউন বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বলা হলেও, আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রবেশ ও দুপুরের খাবারের জন্য জনপ্রতি অতিরিক্ত ৩০০ টাকা করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ দুইজন অতিথি নিয়ে আসতে পারবেন। তাদের কথা চিন্তা করে প্রশাসনের উচিত চাদার পরিমাণ কমিয়ে ফেলা। ”।

শিক্ষার্থী সায়নুর হৃদয় বিষয়টিকে যৌক্তিক মনে করছেন না।

তিনি বলেন, “সদ্য পাস করা শিক্ষার্থীরা এখনো কর্মজীবনে প্রবেশ করেনি, তাদের জন্য এই অর্থ জোগাড় করা অত্যন্ত চাপের।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত মুনাফার দিকে না তাকিয়ে নামমাত্র মূল্যে সমাবর্তনের আয়োজন করা। অপর শিক্ষার্থী আনাস বিন সুলায়মান সমাবর্তনকে কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একটি মিলনমেলা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন এই বিশেষ দিন থেকে বঞ্চিত না হয়। ওয়াশিউল হাসানও একই সুর মিলিয়ে বলেন, গ্র্যাজুয়েটদের পক্ষে ৬ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা দেওয়া প্রায় অসম্ভব, তাই ফি কমানো জরুরি। আরেক শিক্ষার্থী ওয়াশিউল হাসান বলেন, “সমাবর্তনে ৬৫০০ টাকা চাঁদা দেওয়া নতুন গ্রাজুয়েটদের জন্য অনেকাংশেই অসম্ভব।

দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, শেকৃবির এই ফি অনেক বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রতি ডিগ্রির ফি ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তনেও একক ডিগ্রির জন্য সমান ফি রাখা হয়েছিল। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম সমাবর্তনে স্নাতক পর্যায়ের নিবন্ধন ফি ছিল মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনের ফি নিয়েও শিক্ষার্থীদের আপত্তির মুখে তা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল, যেখানে সংশোধিত স্নাতক ফি দাঁড়িয়েছিল ৪ হাজার টাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৩তম সমাবর্তন ২০২২ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের প্রতিটি ডিগ্রির জন্য আলাদাভাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং দুটি ডিগ্রির জন্য একসঙ্গে ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। উইকেন্ড ও ইভিনিং প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য ফি ছিল ৮ হাজার টাকা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ষষ্ঠ সমাবর্তন ২০২৩ এ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের প্রতিটি ডিগ্রির জন্য আলাদাভাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং দুটি ডিগ্রির জন্য একসঙ্গে ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তনের ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের আপত্তির পর ২৮ অক্টোবর নিবন্ধন ফি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে নিবন্ধন ফি ছিল ৩ হাজার টাকা, তবে পিএইচডি বা উচ্চতর ডিগ্রির জন্য তা ৫ হাজার টাকায় উন্নীত ছিল। তুলনায় শেকৃবির ৬ হাজার টাকার ফি অনেক শিক্ষার্থীকেই হতাশ করেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যেখানে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলক কম খরচে সমাবর্তন সম্পন্ন হয়, সেখানে শেকৃবির এই ব্যয়ভার অনেকটা অস্বাভাবিক ও অমানবিক। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পঞ্চম সমাবর্তন ২০২৫ এ স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও অন্যান্য ডিগ্রির জন্য নিবন্ধন ফি ছিল ৩ হাজার টাকা। পিএইচডি, এমফিল, এমডি, এমএস ও সংশ্লিষ্ট ডিগ্রির জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার টাকা।

শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ। তিনি স্বীকার করেছেন যে, সমাবর্তন ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে এবং দুটি ছাত্র সংগঠন তাকে স্মারকলিপি দিয়ে ফি কমানোর অনুরোধ জানিয়েছে। উপাচার্য বলেন, “আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি পর্যালোচনা করেই এই ফি নির্ধারণ করেছিলাম। তবে শিক্ষার্থীদের আবেগ ও দাবির প্রেক্ষিতে ফি কমানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার চেষ্টা করব, যদিও সমাবর্তন আয়োজনের বর্তমান পরিস্থিতিতে তা বেশ কঠিন।” এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, “আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি এর ব্যপারে জেনেছি এবং সে অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করেছি, এর পরেও ৪ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষ।