3:47 pm, Sunday, 1 November 2026

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সামরিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মোড় লক্ষ্য করা গেছে। একদিকে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি চলছে, অন্যদিকে কূটনৈতিক উপায়ে সমঝোতার পথও খোঁজা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও টেলিফোনে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলেন তিনি।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনও খোলা রয়েছে।

সামরিক চাপের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরানের কাছে আলোচনার বার্তা পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। প্রস্তাবটি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন আচরণ আগের তুলনায় কিছুটা নমনীয় হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দোহা বা ইস্তাম্বুলে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক হতে পারে।

এদিকে উত্তেজনার পারদ এখনও নামেনি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কোনো আক্রমণ চালালে তার তীব্র ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, কঠোর চাপের কারণেই ইরান আলোচনায় বসতে বাধ্য হচ্ছে এবং সংকটের দ্রুত সমাধান হতে চলেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : 04:50:55 am, Sunday, 1 November 2026

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সামরিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা

Update Time : 04:50:55 am, Sunday, 1 November 2026

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মোড় লক্ষ্য করা গেছে। একদিকে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি চলছে, অন্যদিকে কূটনৈতিক উপায়ে সমঝোতার পথও খোঁজা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও টেলিফোনে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলেন তিনি।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনও খোলা রয়েছে।

সামরিক চাপের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরানের কাছে আলোচনার বার্তা পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। প্রস্তাবটি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন আচরণ আগের তুলনায় কিছুটা নমনীয় হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দোহা বা ইস্তাম্বুলে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক হতে পারে।

এদিকে উত্তেজনার পারদ এখনও নামেনি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কোনো আক্রমণ চালালে তার তীব্র ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, কঠোর চাপের কারণেই ইরান আলোচনায় বসতে বাধ্য হচ্ছে এবং সংকটের দ্রুত সমাধান হতে চলেছে।