সিইসি |: উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, ‘সুন্দর’ ভোট হচ্ছে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর শূন্য হওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এই ভোট বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। তারা পাঁচজন প্রার্থীর মধ্য থেকে তাদের নতুন জনপ্রতিনিধি বেছে নিচ্ছেন। লড়াইয়ে থাকা প্রার্থীরা হলেন মির্জা ফয়সল আমিন, মো. দেলাওয়ার হোসেন, মো. আবদুল আলীম নিজামী, হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম এবং হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
নির্বাচন ভবন থেকে ভোটগ্রহণের সার্বিক পরিস্থিতি সরাসরি মনিটরিং করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই উপনির্বাচনকে সাধারণ জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ ভাবার সুযোগ নেই। সিইসির ভাষ্যমতে, জাতীয় নির্বাচনের মতোই এই উপনির্বাচন পরিচালনা করা হচ্ছে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে নির্বাচন ভবন থেকে এ আসনের ভোটগ্রহণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকালে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই মন্তব্য করেন।
নির্বাচনে সংঘাতময় পরিবেশের পরিবর্তে উৎসবমুখর পরিস্থিতি প্রত্যাশা করছেন নির্বাচন কমিশনের প্রধান। তিনি বলেন, আমরা সংঘাতের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে উৎসবের আমেজে ভোটগ্রহণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই। এটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। এছাড়া নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। দেশে একটি সুন্দর ও ইতিবাচক নির্বাচনি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।”।
নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, প্রশাসন ও বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে মাঠে মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠানের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন সিইসি নাসির উদ্দিন।
সব মিলিয়ে পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়া কেন্দ্রীয়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছে ইসি। স্থানীয় ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন। এই উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে আসতে পারেন।


















