5:08 pm, Tuesday, 8 September 2026

দেশে সাক্ষরতার হার প্রায় ৭৮ শতাংশ

দেশে এখন সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। বিপরীতে এখনো ২২ শতাংশের বেশি মানুষ নিরক্ষর। অর্থাৎ তাঁরা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা ও দক্ষতার বাইরে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশু-কিশোর, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষা থেকে বঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ।

সাক্ষরতার এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্যের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশে দিবসটির প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে—‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা।’

দিবসটি সামনে রেখে আজ সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশের ৫৮ জেলার সদর উপজেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ (প্রাক্‌-বৃত্তিমূলক পর্যায়) ’ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে প্রতি জেলায় ঝরে পড়া ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী মোট ৪ হাজার ৪৪০ জন কিশোর-কিশোরীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিটি কোর্সে ৪৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১০০ ঘণ্টা কার্যকর সাক্ষরতা এবং ৩৬০ ঘণ্টা দক্ষতা প্রশিক্ষণ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই কার্যক্রমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষা থেকে কর্মে উত্তরণের সুযোগ সৃষ্টি করা। ইতিমধ্যে বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় নিবন্ধিত ৪ হাজার ৩১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১৯৮ জন দক্ষ হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন দক্ষ শিক্ষার্থী কোনো না কোনো ধরনের চাকরির সংযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে ৬০৩ জন সরাসরি কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন।

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোয়ারা ইশরাত।

Tag :

দেশে সাক্ষরতার হার প্রায় ৭৮ শতাংশ

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

দেশে সাক্ষরতার হার প্রায় ৭৮ শতাংশ

Update Time : 12:04:23 pm, Monday, 7 September 2026

দেশে এখন সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। বিপরীতে এখনো ২২ শতাংশের বেশি মানুষ নিরক্ষর। অর্থাৎ তাঁরা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা ও দক্ষতার বাইরে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশু-কিশোর, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষা থেকে বঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ।

সাক্ষরতার এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্যের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশে দিবসটির প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে—‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা।’

দিবসটি সামনে রেখে আজ সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশের ৫৮ জেলার সদর উপজেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ (প্রাক্‌-বৃত্তিমূলক পর্যায়) ’ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে প্রতি জেলায় ঝরে পড়া ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী মোট ৪ হাজার ৪৪০ জন কিশোর-কিশোরীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিটি কোর্সে ৪৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১০০ ঘণ্টা কার্যকর সাক্ষরতা এবং ৩৬০ ঘণ্টা দক্ষতা প্রশিক্ষণ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই কার্যক্রমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষা থেকে কর্মে উত্তরণের সুযোগ সৃষ্টি করা। ইতিমধ্যে বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় নিবন্ধিত ৪ হাজার ৩১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১৯৮ জন দক্ষ হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন দক্ষ শিক্ষার্থী কোনো না কোনো ধরনের চাকরির সংযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে ৬০৩ জন সরাসরি কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন।

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোয়ারা ইশরাত।